মেনু নির্বাচন করুন

Θ খেলাধুলা-বিনোদন

হা-ডুডু/কবাড়ী

      বাংলাদেরে জাতীয় খেলা হচ্ছে হা-ডুডু বা অনেকেই এটাকে কবাড়ী খেলা বলে থাকেন। বছরে একবার নয়ানগর ইউনিয়নে এ খেলার আয়োজন করে থাকেন। এ খেলাটিতে দুটি পেক্ষের হাড্ডা-হাড্ডি লড়াই হয়ে থাকে। তবে আমাদের গ্রামে এ খেলাটির প্রচলন অনেক বেশী।

 

ফুটবল

     ফুটবল একটি জন প্রিয় খেলা হিসেবে পরিচিত। এখানে দীর্ঘ দিন ধরে ফুটবলখেলার অনুশীলন হয়ে আসছে । আমাদের জেলায় বেশ কিছু স্বনামধন্য ফুটবলার জন্মগ্রহণ করেছেন। এ ইউনিয়নের খেলোয়াড়জেলা দলের দায়িত্বপালন করেছে। এছাড়া ১জন সেরা খেলোয়াড় আবহানীফুটবল লীগে অংশ গ্রহণ করত।১৯৯৪ ও ২০১০ সালেনয়ানগর ইউনিয়নেরঅবস্থিত মালঞ্চ এম.এ. গফুর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাধ্যমিক স্কুল ফুটবল টুর্ণামেন্ট প্রতিযোগীতায় জেলা চেম্পিয়ান হয়েছে। বর্তমানে নতুন করে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্ণামেন্টে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খেলোয়াড়রা প্রথমে উপজেলা ও পরে জেলা চেম্পিয়ানও হয়েছে।  বর্তমানে এই ইউনিয়নের একজন ঢাকা বি কে এস পিতে অধ্যয়নরত আছে। অত্র ইউনিয়নেফুটবল লীগ, আন্তঃ উপজেলা, বালক ও বালিকাফুটবলপ্রতিযোগিতা হয়ে থাকে। ২০০৯ সন থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঝে ফুটবলপ্রতিযোগিতা অত্যন্ত জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। নয়ানগর ইউনিয়নেরগ্রামে গঞ্জে খেলা বলতে ফুটবলকে বুঝে থাকে।

 

ক্রিকেট

    ক্রিকেট খেলা ১৯৮৮ সন হতে লীগ রূপ লাভ করে আমাদের জেলায়। বর্তমানে ১মবিভাগ ও ২য় বিভাগ ক্রিকেট লীগ অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ১৯৯৮ সন থেকে নির্মাণস্কুল ক্রিকেট খেলা অনুষ্ঠিত হয়। এতে করে স্কুলের ছাত্রদের আগ্রহ বৃদ্ধিপায়। পরবর্তীতে ঢাকা ১ম বিভাগ ও ময়মনসিংহ ১ম বিভাগ ক্রিকেট লীগে জামাপুরের৩জন খেলোয়াড় অংশ গ্রহণ করে। বর্তমানে ঢাকা ক্রিকেট লীগে ১জন খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করে থাকে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড কর্তৃক গেইম ডেভেলপমেন্টপ্রজেক্টের অধীনে কয়েক বছর যাবৎ আয়োজিত অনুর্ধ- ১৪, ১৬ ও ১৮ ক্রিকেটটুর্নামেন্ট ও জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্ট দ্বারা জেলার অনেক ক্ষুদেক্রিকেটার সাফল্য অর্জন করেছে। এরা জামালপুরজেলার জন্য ২টি পুরস্কারঅর্জন করেছে। ২০১২ও ২০১৩সনে জামালপুরঅনুর্ধ- ১৪ ও অনুর্ধ- ১৬ বয়সভিত্তিক ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সুষ্ঠুভাবে আয়োজন করেছে। এতে কয়েকটিজেলা দলঅংশগ্রহণ করেছে। জামালপুরজেলা ক্রিকেট দল জাতীয় ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপেনিয়মিত ভাবে অংশ গ্রহণ করে আসছে। জামালপুরজেলা সকল উপজেলারস্কুল গুলিকে নিয়ে অনুর্ধ-১৬ জাতীয় স্কুল ক্রিকেটটুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। তারমধ্যেনয়ানগর ইউনিয়নের ২টি স্কুল দল অংশ করে থাকে। জামালপুরজেলা ক্রিকেট একাডেমী দীর্ঘদিন যাবৎ ক্ষুদে ক্রিকেটারদেরনিয়মিত প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে। বর্তমানে এই ক্ষুদে ক্রিকেটারদের মধ্য থেকেঢাকা ও দিনাজপুর বি, কে, এস,পিতে কয়েকজন ক্রিকেট প্রশিক্ষণরত আছে। অনুর্ধ ১৬বয়স ভিত্তিক ক্রিকেট টুর্নামেন্টে জামালপুরক্রিকেট দল ময়মনসিংহ অনুর্ধ-১৬দলকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

 

ব্যাডমিন্টন

    নয়ানগর ইউনিয়নে ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট একটি জন প্রিয় শীতকালীনখেলা হিসাবে চালু আছে। ছাত্র/ছাত্রী ও বয়স্ক ব্যক্তিরা এ খেলায় অংশ গ্রহণকরে থাকে। জামালপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার ব্যবস্থাপনায় ব্যাডমিন্টন খেলাপরিচালিত হয়েছে। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে অনেক প্রতিভাবান ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় পাওয়াগেছে। এ ছাড়া জাতীয় ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতায় জামালপুর জেলার বিভিন্নস্থানের বিশেষ করে নয়ানগরর লোক বিশেষ দলে অংশ গ্রহণ করে থাকে। বর্তমানেস্কুল কলেজ এবং ক্লাব পর্যায়ে ব্যাডমিন্টন খেলা পরিচালিত হয়ে থাকে।

 

হকি

    জামালপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্দ্যোগে হকি খেলার প্রচলন না থাকিলেওস্কুল পর্যায়ে এর প্রচলন আছে। বাংলাদেশের জাতীয় হকি দলে জামালপুরেরকয়েকজনহকি খেলোয়াড় আছে।

 

ভলিবল

     জামালপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার ব্যবস্থাপনায় ভলিবল লীগ অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া ১৯৯৫সনে জেলা প্রশাসক ভলিবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। জামালপুরস্কুল ও কলেজ পর্যায়ে এ খেলার প্রচলন আছে। গ্রামে গঞ্জে বিভিন্ন ক্লাবেরউদ্দ্যোগে ভলিবল খেলা ও প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

 

দাবা

   জামালপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্দ্যোগে দাবা খেলার প্রচলন আছে। জাতীয়পর্যায়ে দাবা খেলায় জামালপুর জেলা থেকে প্রতিযোগীরা অংশ গ্রহণ করে। এ ছাড়াস্কুল, কলেজ ও ক্লাব পর্যায়ে দাবা খেলার প্রচলন আছে।

 

হ্যান্ডবল

    নয়ানগর ইউনিয়নে স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে হ্যান্ডবল খেলার প্রচলন আছে সেই খানে নিয়মিত ভাবে অনুশীলন ও প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

 

সাঁতার

নয়ানগর ইউনিয়নটি ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত। নয়ানগর ইউনিয়নের স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে সাঁতার প্রতিযোগিতার ব্যাপকপ্রচলন আছে। 

 

কুস্তিত খেলা

    মেলান্দহ উপজেলার নয়ানগর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম্য সংস্কৃতিকঅনুষ্ঠানে বিশেষ করে পহেলা বৈশাখে কুস্তি খেলা গ্রামাঞ্চলের একটি জনপ্রিয়খেলা। এখনো গ্রামের বাজারে মাইক ও ঢোল পিটিয়ে কুস্তি খেলার আয়োজন করা হয়।যে গ্রামের কুস্তিগীর খেলায় অংশ গ্রহণ করে তাকে সেই গ্রামে ‘‘মাল’’ বলা হয়েথাকে। এতে কুস্তিগীর গর্ব বোধ করে থাকেন। বর্ষাকালে এই খেলা বেশী হয়েথাকে।

 

লাঠি খেলা

    নয়ানগর ইউনিয়নে লাঠি খেলা গ্রামের ঐতিযবাহী একটি খেলা। জামালপুরজেলায় যেখানে মেলা বসে সেইখানে লাঠি খেলা অনুষ্ঠিত হয়। এটি একটি গ্রামভিত্তিক খেলা বলে জামালপুর জেলায় প্রচলন আছে।

 

ষাঁড়ের লড়াই

    নয়ানগর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে গঞ্জে ষাড়ের লড়াই অনুষ্ঠিত হয়।গ্রামের মানুষ নিজ কাজ কর্ম বাদ দিয়ে ষাড়ের লড়াই দেখতে আগ্রহী হয়। বাদ্যবাজনা দিয়ে ষাঁড় নিয়ে আসা হয়। এতে টেলিভিশন, টেপ রেকর্ডার ইত্যাদি পুরস্কারপ্রদান করা হয়।

 

মই দাবাড়

    নয়ানগর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে গঞ্জে মই-দাবাড় খেলাঅনুষ্ঠিত হয়।কৃষকের যখন মাঠে কোন ফসল থাকেনা ঠিক তখনই গ্রামের মুরুব্বিয়ান এ খোর আয়োজন করে থাকে। মানুষ নিজ কাজ কর্ম বাদ দিয়ে মই-দাবাড়দেখতে আসে। বাদ্যবাজনা দিয়ে গরুনিয়ে আসা হয়। এতে টেলিভিশন, টেপ রেকর্ডার ইত্যাদি পুরস্কারপ্রদান করা হয়।